· কবিতা ·
ছিলে তুমি/ ছিল সিড়িরাও
মানস পাল
নিভৃতে ছিলে, নিঃসীমও নিরবধি ছিল ভালবাসা ছিল
আক্রমনে আগ্রাসনে ঘৃণারাও নিভৃতে উৎ পেতে ছিল, ওপাড়ে নদীরা
গ্রামকে গ্রাম জুড়ে নিরীহ মানুষের বসতি, বসতির পর বসতি প্লাবনে নিয়ে গেল,
ভাংচুড়ে- অতঃপর পলায়নে। তাহাদের পলায়ন সমুদ্রে, ঈশ্বর মানুষে, আর জীবন ঐশ্বরিক ঊর্ধ্বনেত্রে
তোমার লক্ষ চুলে কারা
যেন গুজে দিল স্বপ্ন, বিস্মৃতির
বিনুনিরা থেকে গেল অপেক্ষায় অবহেলায়
প্রভাতের উপেক্ষিত উঠোনের শেফালি পড়ে থাকলো
তুমি আলো হয়ে ঘোর অন্ধকারে
ঘাতকেরাই পথ দেখিয়ে নিশ্চিত নিয়ে যাবে
সেই আখাঙ্খিত বধ্যভূমিতে যেখানে ঘাসের গোপনে
আগাছারা ধানক্ষেতের নির্জনে বেড়ে উঠে, রক্ত সবুজে সম্ভ্রান্তে
একাকার রং-হীন হয়, মৃত্যুরা অবশ্যই কোন পদচিহ্ন রেখে যায় না
কতিপয় মুহুর্ত হোক দ্বিধান্বিত
কতিপয় মূহুর্ত যেন ভোরে, আরেকটা ভোর
সকালে আরেকটা সকাল, দুপুরে দুপুর, বিকেলে
বিকেল, সন্ধ্যায় সন্ধ্যা, রাত্রিরা হতে থাক আরেকটা রাত্রি
২) সন্মুখ থেকে পশ্চাৎ, পিছন থেকে সামনে- এখন এই সিড়িরাই নামছে নীচে
(এই) দিগন্তে উদাস মাঠে কিছু ছায়া আলোতে আঁধারে <>
আঁধারে আলোতে ছায়া কিছু মাঠে উদাস দিগন্তে (এই)
(সে) খেলা করে, কেন খেলা করে<>
করে খেলা, কেন করে খেলা- (সে)
দুঃখ তুমি কেন প্লাবনে<>
প্লাবনে কেন তুমি দুঃখ
কেন তুমি দুঃখ<>
দুঃখ তুমি
কেন