· ব্লগ ·

কবিতার পাশের কথা।

মে ২০২৬ · ৪ মিনিট

কবিতা কেন এখনো প্রাসঙ্গিক

এই দ্রুতগতির সময়ে কবিতা পড়া যেন বিদ্রোহ — একটু থামার, শ্বাস নেওয়ার অনুমতি।

পড়ুন →

এপ্রিল ২০২৬ · ৭ মিনিট

জীবনানন্দ ও বনলতার ছায়া

এক পাঠকের চোখে জীবনানন্দ দাশের কবিতার অন্ধকার আলো।

পড়ুন →

মার্চ ২০২৬ · ৫ মিনিট

আমার মধ্যে আগুন ছিল ছিল না স্ফুলিঙ্গ ; ঘাস ফড়িঙের পিছনে ধাওয়া করে কেটেছে শৈশব ; আর পলায়নে পলায়নে ফিরে ফিরে আসা মুক্তিযুদ্ধে অনেকটাই স্মৃতিতে গাঁথা; পথের পাঁচালীর গেরিলা আমি । দূরবর্তী শহরের জলপ্রপাতের শুঁড়িখানা থেকে ডিঙ্গরাইয়ে পদস্ফলন, হে বিস্ত্রিত বিশ্ব সন্ধ্যায় ব্যারাক থেকে বেরিয়ে অরিয়েন্টেশনে হেঁড়ে গলায় আমার সোনার বাংলা শ্রবণে এসে ভাসে; গুণের মতো শত শীর্ণ শ্বেত রজ্জু চুলের ম্লান চেহারার এক বিডিয়ার সান্ত্রির বক্তৃতা কি যে বলে না বলে, তবু সেও বাংলা দেশের হৃদয় থেকে; রাত্রির গজবত মশারা অপেক্ষা করছে বাশের ঢালাও পালং ঘিরে, গ্রাম ছাড়া ক্ষুধার্ত শরণার্থী মুক্তিযোদ্ধারা মানবিক গন্ধে বিছানা করছে পাশে ; দূরের স্মৃতির থেকে ভেসে আসে প্রতীত স্বাধিকারের সংগ্রাম, মেটামরফিসমে হয় স্বাধীনতা; কি করে প্রথমে ৬৯ তারও আগে ৫২ পরে ৭০ -এর জলোচ্ছ্বাস- ওরা কেউ আসে নি বলে ভাসানীর অঙ্গুলি সঙ্কেত আর আমি সিলেটের ৬৯-এর কনভেনিং কমিটীতে - মজিদ কে নিয়ে বানানো কোন রক্ত বৃথা যায় না বলে মৃত্যু-মিছিল চলো ঘিরে ধরি সুফানিঘাটের বিডিয়ার ক্যাম্প - সান্ত্রী আকাশমুখো গুলি ছুড়ে ”জেলের তালা ভাঙবো, মুজিবকে আনবো”- সমাবেশে শ্লোগান , ভাসানী বললে কচু আনবে, চলো তার চেয়ে ঘিরে ধরি ডিছির বাংলো, মাড়িয়ে চলো তার ফুলের বাগান আর না পাওয়া তুমিও বাজো পিয়ানোর আবাহতে মন খারাপের সন্ধ্যা নামে পালা করে জল তোলা খালের পাড়ে - সে স্বপ্নও একদিন শিশুর প্রথম হ্রস্ববর্ণের মতো হয়েছিল মুক্ত অতঃপর কাছের গঞ্জে তরল এক-চুয়ানি কাকিয়তের খোঁজ সাথে অবশ্যই বন্ধু-দোসর মসিউজ্জামান খাঁন - না, সে পাকিস্তানী নয়, অসম্ভব মন্থিত তিন তাশের আসর থেকে গাঁ ঝেড়ে উঠা এক নিরুপদ্রব বাঙ্গালী: বলে এবার করিবো সশস্ত্র সংগ্রাম সে আমি, আমার ছায়া, আমার দোসর তারা সবাই হারিয়ে যায় একে একে .... মধ্যরাত নামে বিস্তৃত হয় ভোলাগঞ্জ থেকে নিম্নভূমি ছাতকের সমতলে ওখানে পাথরের ব্যবসার আছে এক বিপুল প্রতীতি ইতিমধ্যে পুকুরে গ্রেনেড বিস্ফোরণে মৎস্য শিকার শাশ্বত বাঙ্গালীরা ভাতের মধ্যে লুকিয়ে রাখে ছোট মাছ আর নিষিদ্ধ স্বপ্ন ; গরু বিক্রির ব্যাপারটা অনেকটাই থ্রি-নট-থ্রি হবু বীরবিক্রম শিলং-এর ফটোগ্রাফির দোকানে তোলে পা হড়কে ভাঙ্গা হাতের ছবি সাথে আমি লাইথুমোখ্রার পথ পদর্শক; হতাশার কুয়াশারা ভাসে নাম না জনাকীর্ণে এই পথে এই এতগুলো পথকে ধরে রাখা আমার এই দেশ এ এক অসম্ভবতা তবু সেই দেশ একদিন কবে আমাদের হবে মৎস্য মারিবো সুখে মধ্যভোজনের পর না কি পূর্বে হুইস্কি করিবো পান ৩৭ অলগ্রিতেভেগেনে শনি ঠাকুর! তুমি প্রনামীও নিলে সাথে কলাটা মূলাটাও, এই তো জীবন ঠাকুর পেঁয়াজের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা, অতঃপর কিছুই নেই দু-চোয়ানীর নদী কবে যেন ভ্রূমধ্য সাগরে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে।

ইমেইলের যুগে হাতে লেখা চিঠির গন্ধ, কাগজের শব্দ — কেন এখনো জরুরি?

পড়ুন →