· কবিতা ·

অর্থহীন ও বৈরিতায় নিরবধি থাকা

মানস পাল

জানালা দিয়ে দেয়া ছিল আলো আর সম্ভাবনা দরোজায় লিখা ছিল প্রস্তানের পথ এ এক প্রসূতি ঘর শুধু, বিকাশের নয় তবু পথ ছিল খোলা আর অজানার হাতছানি একটাই বাহন তাতে লিখা অকেজো এ এক যাত্রা যাত্রাহীন নিরবধি এতো পরাজয়ে শক্তি আহরণ শেষ জলজ পরমাণু এই প্রতিসাম্যেও ছিল এতো বিভাজন এ এক অনাসৃষ্টি আমি নিমিত্ত মাত্র তবে কেন হে ঈশ্বর হিগ্‌স্‌ পদার্থ-কণায় এ লুকানো রহস্য ছিল রহস্য কে বানিয়ে ছিল এ এক অপরাধ শাস্তিযোগ্য কেন প্রতিনিয়ত এই নির্মম অস্তিত্বের ধূসর আকাশে দুঃখমেঘের প্লাবন প্রতিটি মুহূর্ত অসহনীয় অসম্ভব কেন, কেন এই অর্থহীন জীবন যাপন ২) নির্ঘুমের রাত্রি আসে কার কৃত্রিম হাত ধরে আঙ্গুলগুলো তার অসম্ভব কোমল শত বছরের পুকুর-ঘাটে এসে মুহুর্মুহু ছোঁয়ে যায় জল আর মৃত্তিকার শেওলা স্পন্দনে জীবস্ফোরন হয় জন্ম নেয় কতিপয় কচুর লতিকা পাশের জনপদে ভঙ্গুর রাস্তায় মিছিলে মুহুর্মুহু শব্দে ধ্বনিত হয় হরিবোল সারা রাত আবারো নির্ঘুমে এক লোক মুহূর্তে চলে গেল হল না তাকেও বলা জীবন এক অন্তর্নিহিত ব্যর্থতার সমষ্টি বৈরিতায় নিরবধি থাকা